যারা সাইন্স ফ্রিকশন এবং বিজ্ঞানিক কল্প কাহিণী পড়তে ভালো বাসেন তাদের কাছে রোবট এবং এলিয়েন খুব পরিচীত শব্দ।সেই সাথে আইজ্যাক আসিমভের নাম শুনেন নি এমন পাঠক খুব কমই আছেন ।১৯৩৯ সালে তিনি যেন এনে দিয়েছিলেন বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিণীতে এক নতুন মাত্রা তিনি রোবটকে উপস্থাপন করলেন মানব সম্প্রদায়ের উপকারী এক সহানুভূতিশীল যন্ত্র হিসাবে যা মানুসের সব কাজকে আরো সহজ আর দ্রুতশীল করতে সাহাজ্য করছে। এর আগে বৈজ্ঞানিক কল্প-কাহিনীর জগতে ১৯২০ আর ১৯৩০ দশক সময়ের গল্পগুলোর অনেকগুলোই ছিল রোবটদের ব্যাপারে সাবধানবানী। কিভাবে তারা একসময় গিয়ে তাদের নির্মাতা মানুষের বিরুদ্ধে উঠে দাঁড়িয়ে তাদের ধ্বংস করে দেয়।
আইজ্যাক আসিমভ সে সময়ে ভাবতে থাকেন রোবটতো মাত্র একটা যন্ত্রই আর মানুস নিত্য নিয়ত নানা রকম যন্ত্র তৈরি করে চলেছে আর সব যন্ত্রইতো কোন না কোন রকম ভাবে মানুসের জন্য বিপদ জনক । তাহলে এমন কি করা যেতে পারে যাতে করে এই রোবটকে নিরাপদে ব্যাবহার করা যেতে পারে ।
এই অনুভব থেকে ১৯৪১ সালে আইজ্যাক আসিমভ তার একটি গল্পে রোবট প্রোগ্রামের জন্য তিনটি সূত্র বা রক্ষা কবচ প্রস্তাবনা করেন যা রোবট যখন নির্মাণ করা হবে তখন রোবটের মস্তিস্কের প্রোগ্রামে সেট করে দেওয়া হবে। এই সূত্রগুলো রোবোটিক্সের তিনটি সূত্র হিসাবে পরিচীত।
১. একটি রোবট কখনো একজন মানুষকে আঘাত করবে না কিংবা কোনো মানুষ বিপদে পড়লে নির্লিপ্ত হয়ে চেয়ে চেয়ে দেখবে না।
২. একটি রোবট অতি অবশ্যই একজন মানুষের দেয়া আদেশ মেনে চলবে যতক্ষণ না পর্যন্ত সেই আদেশ প্রথম সূত্রের পরিপন্থী হবে।
৩. একটি রোবট নিজের অস্তিত্বকে সবসময় টিকিয়ে রাখার জন্য সচেষ্ট হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত তা প্রথম দুই সূত্রের পরিপন্থী হবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷